“ফানাফিল্লাহ” এর কুরআন ও হাদীস ভিত্তিক প্রমাণঃ তাসাওউফ বা সূফীবাদের অস্বিকার কুফরী। “ফানাফিল্লাহ” একটি পারিভাষিক শব্দ। শব্দের একটি শাব্দিক অর্থ থাকে, আরেকটি পারিভাষিক অর্থ থাকে। প্রতিটি সাবজেক্টের আলাদা আলাদা পারিভাষিক অর্থ থাকে। যে সাবজেক্টে ব্যবহৃত শব্দটি সম্পর্কে আপনি জানতে চাইবেন, সেটির বিশেষজ্ঞদের কাছে এর ব্যাখ্যা জানা জরুরী। এক সাবজেক্টের পারিভাষিক শব্দের অর্থ আরেক সাবজেক্টের বিশেষজ্ঞ থেকে নিলে সমস্যা বাঁধবেই। আর মুর্খতাও বটে যে, শব্দটি নিবো এক ডিপার্টমেন্ট থেকে, আর অর্থ নিবো আরেক ডিপার্টমেন্টের।উদাহরণতঃ“কালিমা” শব্দ। আকিদা বিশেষজ্ঞদের কাছে কালিমা হল, “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”। নাহুবিদদের মতে কালিমা হল, কোন শব্দকে যার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেই অর্থে তাকে ব্যবহার করা। আর বাংলা সাহিত্য বিভাগে “কালিমা” শব্দের অর্থ হল, দোষ, ত্রুটি ইত্যাদি। তাহলে দেখা যাচ্ছে, শব্দ একটি। কিন্তু তিন বিভাগে প্রবেশ করে, শব্দটির তিনটি অর্থ হয়ে যাচ্ছে। নাহুবিদদের কাছে গালিও কালিমা। আবার আকিদা বিশেষজ্ঞদের কাছে বিসমিল্লাহ-ও কালিমা নয়। এখন কোন মুর্খ যদি নাহুবিদদের ব্যবহৃত কালিমা শব্দটি ...
This is my Personal blog...